অনুবাদ বিষয়ক প্ৰবন্ধমালা - তৃষ্ণা বসাক
তৃষ্ণা বসাক
“Every act of communication is a miracle of translation.”
― Ken Liu, The Paper Menagerie and Other Stories
একটা ছড়া প্রাচীন বাংলায় খুব শোনা যেত-
‘কৃত্তিবেসে, কাশীদেশে আর বামুন ঘেসে—এই তিন সর্বনেশে’
এখানে রামায়ণ মহাভারতের বাংলায় যারা অনুবাদ করেছেন, তাঁদের সর্বনেশে বলা হয়েছে। কারণ সংস্কৃত হচ্ছে দেবভাষা। সেই ভাষা থেকে বাংলায় যখন এই মহাকাব্য গুলি অনুবাদ হলে তা তখন অব্রাহ্মণ সাধারণ প্রান্তিক জনের আয়ত্তে চলে আসে। তা হলেই তো সর্বনাশ। তাহলে আর জ্ঞান চর্চা শুধুমাত্র ব্রাহ্মণদের কুক্ষিগত রাখা যাবে কী করে ?
সংস্কৃতে একটা শ্লোকই ছিল
‘অষ্টাদশ পুরাণানি রামস্য চরিতাণি চ।
ভাষায়াং মানবঃ শ্রুত্না রৌরবং নরকং ব্রজেৎ।।‘
অর্থাৎ অষ্টাদশ পুরাণ এবং রামায়ণাদি কাহিনী মাতৃভাষায় কেউ যদি শোনে, তবে তাকে রৌরব নরকে যেতে হয়।তাই মধ্যযুগে অনুবাদকদের কাজটা বড় সহজ ছিল না। তাঁদের শাস্ত্রকারদের নিষেধাজ্ঞা লঙঘন করে দুস্তর বাধা পেরতে হয়েছিল। রামায়ণ মহাভারত বাঙলা ভাষায় অনুবাদ করার ‘অপরাধে’ সংস্কৃতজ্ঞ পণ্ডিতদের কাছে তাঁরা নিন্দিত হয়েছিলেন। একইরকম বাধা এসেছিল বাইবেল ইংরেজিতে অনুবাদের সময়। হিব্রু ও গ্রিক থেকে আধুনিক ইংরেজিতে বাইবেল অনুবাদ করেছিলেন উইলিয়াম টিন্ডেল, সেই অপরাধে তাঁর ফাঁসি হয়েছিল ১৫৩৬ সালে। ইংল্যান্ডে বাইবেল অনুবাদ বেআইনি ঘোষিত হয়েছিল। তবু তাঁরা এই কাজটি পবিত্র কর্তব্য বোধে করেছিলেন ভাগ্যিস!
কৃত্তিবাস, কাশীরাম দাস এবং আরও অসংখ্য লেখক যে সমাজের নিষেধবাণী অমান্য করে বিভিন্ন মহাকাব্য এবং পুরাণ-অনুবাদে অগ্রসর হয়েছিলেন মূলত দুটি ভরসায় – এক তো যুগ পালটাচ্ছিল, আর দ্বিতীয় কারণটি হল – মুসলিম শাসকরা এই অনুবাদে পৃষ্ঠপোষকতা করছিলেন। রামায়ণ মহাভারত তো নিছক ধর্মগ্রন্থ নয়। এ দুটি বই নানা চমৎকার কাহিনির বর্ণময় সমাবেশ। অপ্রতিরোধ্য তার টান। যা আকৃষ্ট করেছিল মুসলমান শাসকদের। রামায়ণ, মহাভারতের দুজন অনুবাদক কালকে অতিক্রম করেছেন।। তাঁরা রামায়ণের অনুবাদক কবি কৃত্তিবাস এবং মহাভারতের অনুবাদক কবি কাশীরাম দাস।
তাছাড়া মুসলিম শাসনের চাপের মুখে পড়ে নিজের ধ র্ম ও সংস্কৃতিকে ভাল ভাবে জানার একটা তাগিদ কাজ করছিল। ডঃ অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে বলেছেন-
‘হিন্দু সমাজের সর্বশ্রেণীর মধ্যে নিজ নিজ ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে পৌরাণিক সাহিত্য, বিশেষতঃরামায়ণমহাভারতেরপ্রচারঅত্যাবশ্যক। তাই তারা জনসমাজে অনুবাদের মারফতে রামায়ণ, মহাভারত ও অন্যান্য পৌরাণিক সাহিত্যের মূল নির্যাস প্রচারে ব্রতী হয়েছিলেন।”
… “এইভাবে বাংলায় আর্য সংস্কারের প্রভাব না পড়লে বাঙলা সাহিত্য কোনদিনই লোকসাহিত্যের সীমা ছাড়তে পারত না। সাহিত্য যে মধ্যযুগ থেকে আধুনিক কালের মধ্যে একটি সুগঠিত সাহিত্যকর্মরূপে সম্মানিত হয়েছে, তথাকথিত ব্রাহ্মাণ্য-সংস্কারের ছাপ না পড়লে এ সাহিত্যের এই ধরনের বিকাশ হতে পারত না অনুমান করি। তাই বাঙালী-সমাজের পুনর্গঠনের জন্য, বাঙালী ঐতিহ্যের সর্বভারতীয় প্রাণধারার সঙ্গে যোগস্থাপনের জন্য রামায়ণ-মহাভারতের অনুবাদাশ্রয়ী প্রভাবের এত প্রয়োজন ছিল।”
খেয়াল করলে দেখব আমরা আজন্ম অনুবাদের মধ্যেই থাকি।আমরা যখন জন্মাই, কথাও বলতে পারি না, শুধু কাঁদতে পারি, তখন আমাদের কান্না, হাত পা ছোঁড়া বা মুখের ভংগি দেখে মা বুঝে যান আমাদের খিদে পেয়েছে না ঘুম পেয়েছে না পেটে ব্যথা হয়েছে। তাঁরা আমাদের ভাষাহীন ভাষার ডি কোডিং অর্থাৎ অনুবাদ করে ফেলেন নিজের বোধগম্যতায় আর জুগিয়ে যান আমাদের সমস্ত খাদ্য পথ্য ওষুধ, ঘুম পাড়ান গান বা গল্প শুনিয়ে শুনিয়ে। যে গল্প শোনান, তাও, বেশিরভাগ সময়েই অনুবাদ গল্প। গড়পড়তা ভারতীয় শিশু মা বাবা দাদু ঠাকুমার কাছে ভূত প্রেত রূপকথা ছাড়া যে গল্পগুলো শুনে বড় হয়ে ওঠে, তা কিন্তু প্রায় সবসময়েই অনুবাদ। বাল্মিকী রামায়ণ, ব্যাসদেবের মহাভারত, বিষ্ণুশর্মার পঞ্চতন্ত্র, ঈশপের ফেবলস, কিংবা আরব্য রজনীর গল্প। এই সৌভাগ্য অন্য দেশের শিশুদের হয় কিনা জানি না। সত্যি বলতে কি, আমরা যথেষ্ট বড় হবার আগে জানতেই পারি না সেগুলো বাংলা ভাষায় লেখা নয়, এ আমাদের এক বিরল সৌভাগ্য। তবে এই খাজানা আমাদের সামনে প্রথম থেকেই খোলেনি। যদিও প্রাচীন কাল থেকেই মূলত তীর্থ যাত্রীরা, কিছু ভ্রমণার্থীরা ভারত ভূখণ্ডের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে গেছেন, তাঁরা যখন ঘরে ফিরে এসেছেন, তখন তাঁদের ঝুলিতে সেইসব জায়গার অচেনা ভাষার গান গল্প লোক গাথা ভরে নিয়ে এসেছেন, সেখানে থাকতে থাকতে সেই অজানা ভাষাটি তাঁরা কাজ চালাবার মতো শিখে গেলেও তা থেকে আক্ষরিক অনুবাদের কথা হয়তো ভাবেননি, কারণ ট্রান্সলেশন বলতে পশ্চিম যা বোঝে পূর্ব তা বুঝত না। এখানে ছিল লুজ অ্যাডাপ্টেশন, ভাষ্য , টীকা , সারানুবাদ।
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বিভিন্ন অনুবাদক কবিরা অনুবাদে হাত দিয়েছিলেন ও তার ফল হয়েছিল আশ্চর্য। হিন্দু কবিরা সাধারণত অনুবাদ করেছেন তাদের পুরাণ কাহিনীগুলো অর্থাৎ রামায়ণ ও মহাভারত থেকে। একই সাথে মুসলমান কবিরা অনুবাদ করেছিলেন আরবি, ফারসি, হিন্দি থেকে সংখ্যক রোমান্টিক ও রোমাঞ্চকর উপাখ্যান।
রামায়ণ মহাভারত অনুবাদ করা সহজ কথা ছিলো না। কারণ সংস্কৃতানুসারী সমাজের যারা মাথা ছিলেন তারা বাংলা ভাষায় এসব অনুবাদের ঘোর বিরোধী ছিলেন। কেননা তারা মনে করতেন সংস্কৃত থেকে ওসব পুণ্যগ্রন্থ বাংলায় অনূদিত হলে ধর্মের মর্যাদাহানি ঘটবে। একইভাবে ইংরেজিতে বাইবেলের অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক বাঁধার সম্মুখীন হয়েছিলেন অনুবাদকরা। জার্মান ভাষায় বাইবেল অনুবাদ করেছিলেন মার্টিন লুথার। বাংলা ভাষায় কোরআন অনুবাদ করতে গিয়েও কম বাধা আসেনি। কিন্তু বিভিন্ন কবি অনুবাদকরা সকল বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে বড় ঝুঁকি নিয়ে অনুবাদ করে গিয়েছেন।
ভারতীয় অনুবাদের ধারা অনুসরণ করে মধ্যযুগের কোনো অনুবাদই মূল রচনার আক্ষরিক অনুবাদ নয়। তা অনুসৃজন। বাল্মিকীর রাম থেকে কৃত্তিবাসের রাম অনেকটাই আলাদা। কৃত্তিবাস তাঁর রামের মধ্যে বাঙ্গালির লাবণ্য ও কোমলতা মিশিয়েছেন সুচারুভাবে। তাঁর পয়ারের ছন্দে গাঁথা রামায়ণে মুগ্ধ মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কৃত্তিবাসকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘কৃত্তিবাস— কীর্তিবাস কবি’।
১৩২৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত গৌড়ের রাজা ছিলেন নাসির বী। তাঁর আগ্রহে মহাভারতের একটি অনুবাদ হয়েছিল। রুকনুদ্দিন বারবক শাহ (১৪৫৯-৭৪) সাহায্য করেছিলেন কৃত্তিবাসের রামায়ণ অনুবাদে। পরাগল খান কবীন্দ্র পরমেশ্বর নামক এক কবিকে দিয়ে অনুবাদ করেছিলেন মহাভারতের অনেকখানি। পরাগল খানের পুত্র ছুটি খান-এর সাহায্য ও অনুপ্রেরণায় শ্রীকর নন্দী অনুবাদ করেছিলেন মহাভারতের আরো অনেকখানি। এভাবে আরো অনেক মুঘল রাজা যেমন হুসেন শাহ রামায়ণ, মহাভারত অনুবাদে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন।
কৃত্তিবাস ছাড়া রামায়ণের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য অনুবাদকরা হলেন চন্দ্রাবতী, ভবানীদাস, রামমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, রামানন্দ ঘোষ, দ্বিজ মধুকন্ঠ, কবিচন্দ্র। চন্দ্রাবতী ছিলেন রামায়ণের প্রথম মহিলা অনুবাদক। তাঁরা রামায়ণে রামের থেকে সীতাই মুখ্য। একে বলা যেতে পারে প্রথম নারীবাদী রামায়ণ। একটা উদাহরণ দেওয়া যাক-
সতার নামে গো কন্যার নাম রাখে সীতা
চন্দ্রাবতী কহে গো কন্যা ভুবন বন্দিতা
কাশীরাম দাস ছাড়া মহাভারতের উল্লেখযোগ্য অন্যান্য অনুবাদকরা হলেন নিত্যানন্দ ঘোষ, রামেশ্বর নন্দী, রাজীবসেন, সঞ্জয়, রামনারায়ণ দত্ত প্রমুখ।
মালাধর বসু অনুবাদ করেছিলেন ভাগবত। তিনিও একজন মুসলমান রাজার প্রেরণায় ভাগবত অনুবাদ করেছিলেন। রাজা তাকে গুণরাজ খান উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
কবি পরিবারে জন্ম কাশীরাম দাসের। মহাভারত পুরোপুরি অনুবাদ করে যেতে না পারলেও তিনি অমর হয়ে থাকবেন যতদিন বাংলাভাষা থাকবে।
মহাভারতের অসম্পূর্ণতা নিয়ে একটি শ্লোক আছে-
আদি সভা বন বিরাটের কতদূর।
ইহা রচি কাশীদাস গেলা স্বর্গপুর।
ধন্য হইল কায়স্থ কুলেতে কাশীদাস।
তিন পর্ব ভারত সে করিল প্রকাশ।
তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর ভাইপো এবং আরো কয়েকজন মিলে মহাভারতের অনুবাদ সম্পূর্ণ করেন।
যদিও মহাভারতের প্রথম বাংলা অনুবাদ হচ্ছে কবীন্দ্র মহাভারত । আনুমানিক ১৫১৫ – ১৯ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে কবীন্দ্র পরমেশ্বর মহাভারতের বাংলা অনুবাদ করেন । লস্কর পরাগল খাঁর নির্দেশে রচিত বলে এটি পরাগলী মহাভারত নামেও পরিচিত । কবীন্দ্র মহাভারতে অশ্বমেধপর্ব সংক্ষিপ্ত ছিল বলে ছুটি খাঁর নির্দেশে শ্রীকর নন্দী জৈমিনিসংহিতার অশ্বমেধপর্ব অবলম্বনে বিস্তৃত আকারে সেটি রচনা করেন, যাকে আলাদা পুঁথি না বলে বরং কবীন্দ্র মহাভারতের পরিশিষ্ট বলা চলে । তবে বাংলা মহাভারতের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক কাশীরাম দাস । আনুমানিক ১৬০২ – ১০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে তাঁর কাব্য রচনা করেন । তিনি মহাভারতের কটি পর্ব অনুবাদ করেছিলেন তা জানা না গেলেও শ্রীরামপুর প্রেস থেকে ১৮০১-৩ খ্রিস্টাব্দে কাব্যটির চারটি পর্ব মুদ্রিত হয় । পরবর্তী কালে জয়গোপাল তর্কালঙ্কারের সম্পাদনায় ১৮৩৬ খ্রীঃ সম্পূর্ণ অংশ মুদ্রিত হয়।
শুধু সংস্কৃত নয়, মধ্যযুগে আরবি ও ফারসি ভাষা থেকে অনূদিত হয়েছে বিপুল সংখ্যক রোমান্টিক প্রণয়-উপাখ্যান। লায়লা-মজনু, পদ্মাবতী, লোরচন্দ্রানী, মধুমালতী এসব প্রণয়গীথা আরবী ফারসি থেকে উৎসারিত। যেমন, শাহ মুহম্মদ সগীর-এর ইউসুফ-জুলেখা, বাহরাম খানের লায়লা মজনু। অনুরূপে মহম্মদ কবির লিখেছেন– মনোহর মধুমালতী। সাবিরিদ খান ও মহাকবি আলাওল অনুবাদ করেন এবং লিখেন পদ্মাবতী, সয়ফুলমূলক বদিউজ্জামাল। পদ্মাবতী বিখ্যাত হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সির ‘পদুমাবত’-এর কাব্যানুবাদ। আলাওলের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্য সেকদারনামা-এর মূল কবি নিজামি। তবে আলাওলের অসাধারণ কাব্যপ্রতিভা বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। পদ্মাবতীর রূপ বর্ণনা সম্পর্কে আলাওলের বর্ণনা নিম্নরূপ:
পদ্মাবতী রূপ কি কহিমু মহারাজ।
তুলনা দিবারে নাহি ত্রিভুবন মাঝ
স্বর্গ হতে আসিতে যাইতে মনোরথ
সৃজিল অরণ্য মাঝে মহাসূক্ষ্ম পথ।
‘কবি পদ্মাবতীর রূপের বর্ণনার এক পর্যায়ে তার সিথির বর্ণনায় বলেছেন তার সিঁথি খুব সরু, সুন্দর, তীক্ষ্ণ। এমনকি তরবারির তীক্ষ্ণতার চেয়েও অধিকতর তীক্ষ্ণ পদ্মাবতীর সিথি। তারপর কবি একটি উপমা দিয়ে বোঝাতে চেয়েছেন সে সিঁথির সৌন্দর্য। বলেছেন—ওই সিঁথির রেখাকে মনে হয় যেনো কালো মেঘের মধ্যে স্থির হয়ে আছে বিদ্যুত্থরেখা। এতেও কবির মন ভরেনি। তিনি দিয়েছেন আরো উপমা। বলেন, স্বর্গ থেকে আসা-যাওয়ার জন্য সৌন্দর্যের দেবতা অরণ্যের মধ্যে এক সূক্ষ্মপথ নির্মাণ করেছিলেন। পদ্মাবতীর সিঁথি তেমনি সুন্দর নয়নাভিরাম।‘
কৃত্তিবাসী রামায়ণ হিসাবে পরিচিত গ্রন্থটি ১৮০২ – ০৩ খ্রিস্টাব্দে শ্রীরামপুর মিশন থেকে মুদ্রিত হয় । মুদ্রণের সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র বঙ্গদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করে ।
রামায়ণের কয়েকজন উল্লেখযোগ্য অনুবাদক ও কাব্যের নাম দেওয়া হলঃ
| সময়কাল | কবি | কাব্যের নাম |
| পঞ্চদশ শতাব্দী | কৃত্তিবাস ওঝা | শ্রীরাম পাঁচালি |
| মাধব কন্দলি | শ্রীরাম পাঁচালি। | |
| ষোড়শ শতাব্দী | শঙ্কর দেব | শ্রীরাম পাঁচালি (উত্তর কাণ্ড) |
| সপ্তদশ শতাব্দী | নিত্যানন্দ আচার্য | অদ্ভুত আচার্যের রামায়ণ |
| রামশঙ্কর দত্ত | রাম কথা | |
| চন্দ্রাবতী | রামায়ণ | |
| অষ্টাদশ শতাব্দী | রামচন্দ্র | বিভীষণের রায়বার |
| কাশীরাম | কালনেমির রায়বার | |
| জগন্নাথ দাস | লঙ্কাকাণ্ড | |
| উৎসবানন্দ | সীতার বনবাস | |
| জগতরাম রায় | অদ্ভুত রামায়ণ |
মহাভারতের কয়েকজন উল্লেখযোগ্য অনুবাদক ও কাব্যের নাম-
| সময়কাল | কবি | কাব্যের নাম |
| ষোড়শ শতাব্দী | কবিন্দ্র পরমেশ্বর | পাণ্ডব বিজয় |
| শ্রীকর নন্দী | অশ্বমেধ কথা | |
| রামচন্দ্র খান | অশ্বমেধ পর্ব | |
| সপ্তদশ শতাব্দী | কাশীরাম দাস | মহাভারত |
| নিত্যানন্দ ঘোষ | মহাভারত | |
| অষ্টাদশ শতাব্দী | দুর্লভ সিংহ | ভারত পাঁচালি |
| পুরুষোত্তম দাস | পাণ্ডব পাঁচালি |
ভাগবতের কয়েকজন উল্লেখযোগ্য অনুবাদক ও কাব্যের নাম দেওয়া হলঃ
| সময়কাল | কবি | কাব্যের নাম |
| পঞ্চদশ শতাব্দী | মালাধর বসু | শ্রীকৃষ্ণবিজয় |
| ষোড়শ শতাব্দী | গোবিন্দ আচার্য | কৃষ্ণমঙ্গল |
| দ্বিজ মাধব | শ্রীকৃষ্ণমঙ্গল | |
| সপ্তদশ শতাব্দী | যশশ্চন্দ্র | গোবিন্দবিলাস |
| অষ্টাদশ শতাব্দী | অভিরাম দাস | কৃষ্ণমঙ্গল |
| ঘনশ্যাম দাস | শ্রীকৃষ্ণবিলাস |
–


