অনুবাদ বিষয়ক প্ৰবন্ধমালা - তৃষ্ণা বসাক

১ : অনুবাদের বাদ, বিসংবাদ ও সংবেদনা

তৃষ্ণা বসাক প্রথম পর্ব শুরু থেকে শুরু ১৯৭৬ সালে সাহিত্য আর অনুবাদের ওপর একটি আলোচনাচক্র হয়, দু বছর পরে ১৯৭৮  সালে

Read More »

২ : অনুবাদের অপযশ

তৃষ্ণা বসাক শুধু যে অনুবাদক বিশ্বাসঘাতক তাই নয়, সে সবসময়ই দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক। তার কাজকে নিচু নজরে দেখা হয়। কিছুতেই

Read More »

 ৭ : অনুবাদের বাদ, বিসংবাদ ও সংবেদনা

তৃষ্ণা বসাক সপ্তম পর্ব অনুবাদ ও লিপির সমস্যা “যে বুলির লিপি আছে, সে বুলিই লোকে সব্বার আগে শুনতে পায়।” (শবর গোষ্ঠীর এক যুবক) ভাষাসুনামি আসছে। চারপাশে একবার সন্ত্রস্ত চোখ বুলিয়ে

Read More »

৮ : অনুবাদের বাদ, বিসংবাদ ও সংবেদনা

 পর্ব ৮ অনুবাদকের কথা বিশিষ্ট অসমীয়া অনুবাদক বাসুদেব দাসের সঙ্গে আলাপচারিতায় তৃষ্ণা বসাক ভারত ভূখণ্ডের মানুষজন তীর্থ যাত্রায় কত দূর

Read More »

অনুবাদকের কথা

বিখ্যাত নেপালি অনুবাদক শমীক চক্রবর্তীর মুখোমুখি অনুবাদের বাদ, বিবাদ ও সংবেদনা পর্ব ১০ তৃষ্ণা বসাক শমীক চক্রবর্তী-র বেড়ে ওঠা কলকাতার প্রান্তে বেলঘরিয়ায়। স্কুলশিক্ষা যথাক্রমে রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন এবং নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে। তারপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর (১৯৯৯)। ছাত্রজীবন থেকেই প্রগতিশীল রাজনীতি এবং সাহিত্য-সংস্কৃতির সাথে যুক্ত থাকায় ছাত্রজীবনের পরে সমাজকর্মী হিসেবে কাজ করাই মনস্থ করেন। সেই সূত্রেই পরব র্তীতে দার্জিলিং পাহাড়-তরাই-ডুয়ার্সে যাতায়াত, বসবাস, নেপালি ভাষা শেখা। চা শ্রমিকদের সংগ্রাম এবং এই অঞ্চলের বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলনের সাথে যুক্ত। ​বর্তমানে বাংলা ও নেপালি—উভয় ভাষাতেই লেখালেখি করেন। বেশ কিছু কবিতা ও ছোটগল্প ছাড়াও তিনি ভারতীয় নেপালি সাহিত্যের ভাণ্ডার থেকে ইন্দ্রবাহাদুর রাইয়ের ‘আজ রমিতা ছ’ (১৯৫৮), ছুদেন কাবিমোর ‘ফাৎসুং’ (২০১৯) ও ‘উরমাল’

Read More »